আনন্দের জন্য খেলুন, চাপে নয়। wibd বিশ্বাস করে দায়িত্বশীল গেমিংই সেরা গেমিং।
আপনার গেমিং অভিজ্ঞতা আনন্দময় ও নিয়ন্ত্রিত রাখতে আমরা একাধিক টুলস ও ব্যবস্থা রেখেছি
প্রতিদিন, সপ্তাহ বা মাসে কতটুকু জমা করবেন তা নিজেই ঠিক করুন। একবার সীমা সেট করলে তা তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর হয় এবং বাড়াতে হলে কুলিং পিরিয়ড লাগে।
আপনার নিয়ন্ত্রণেএকটানা কতক্ষণ খেলবেন তার সময়সীমা নির্ধারণ করুন। নির্দিষ্ট সময় পার হলে wibd স্বয়ংক্রিয়ভাবে সতর্কবার্তা দেবে এবং বিরতি নেওয়ার পরামর্শ দেবে।
স্বয়ংক্রিয়মাথা ঠান্ডা করতে ২৪ ঘণ্টা থেকে ৬ সপ্তাহ পর্যন্ত কুলঅফ পিরিয়ড নিন। এই সময় অ্যাকাউন্টে লগইন করা যাবে না, তবে যেকোনো সময় বন্ধ করা যাবে।
সহজলভ্যদীর্ঘমেয়াদি বিরতি দরকার হলে ৬ মাস থেকে ৫ বছরের জন্য নিজেকে সম্পূর্ণ বাদ দিতে পারবেন। এই সময়ে অ্যাকাউন্ট পুনরায় সক্রিয় করার কোনো সুযোগ নেই।
স্থায়ী সুরক্ষাআপনার গেমিং প্যাটার্ন, জয়-পরাজয়ের রেকর্ড ও ব্যয়ের বিস্তারিত যেকোনো সময় দেখতে পারবেন। নিজের অভ্যাস বোঝার এটাই সবচেয়ে ভালো উপায়।
স্বচ্ছনির্দিষ্ট সময় পর পর wibd আপনাকে স্মরণ করিয়ে দেবে আপনি কতক্ষণ খেলছেন এবং কত টাকা ব্যয় করেছেন। এই ছোট্ট অনুস্মারকটি অনেক বড় সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করে।
নিয়মিতদায়িত্বশীল খেলা মানে হলো গেমিংকে বিনোদনের মাধ্যম হিসেবে দেখা — আয়ের উৎস বা সমস্যা সমাধানের পথ হিসেবে নয়। wibd-এ আমরা বিশ্বাস করি যে প্রতিটি খেলোয়াড় যখন নিজের সীমা বোঝেন এবং সে অনুযায়ী খেলেন, তখনই গেমিং সত্যিকারের আনন্দের হয়। বাংলাদেশে অনলাইন গেমিং দিন দিন জনপ্রিয় হচ্ছে, আর সেই সাথে দায়িত্বশীল গেমিংয়ের গুরুত্বও বাড়ছে।
দায়িত্বশীল খেলার মূল ভিত্তি হলো সচেতনতা। আপনি কেন খেলছেন, কতটুকু সময় ও অর্থ ব্যয় করছেন এবং এটি আপনার জীবনের অন্য দিকগুলোতে কোনো প্রভাব ফেলছে কিনা — এই প্রশ্নগুলো নিয়মিত নিজেকে করুন। wibd এই যাত্রায় আপনার সাথে আছে।
গেমিং একটি বৈধ বিনোদন। কিন্তু যেকোনো বিনোদনের মতোই এর সীমা থাকা দরকার। আপনি যদি দায়িত্বশীলভাবে খেলেন, তাহলে গেমিং আপনার জীবনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে — নেতিবাচক নয়। wibd-এর দায়িত্বশীল গেমিং নীতির মূল লক্ষ্যই হলো প্রতিটি খেলোয়াড়ের গেমিং অভিজ্ঞতাকে স্বাস্থ্যকর ও আনন্দময় রাখা।
wibd প্রতিটি খেলোয়াড়কে নিচের মূলনীতিগুলো অনুসরণ করতে উৎসাহিত করে। এগুলো কোনো কঠোর নিয়ম নয় — বরং এগুলো এমন অভ্যাস যা আপনার গেমিং অভিজ্ঞতাকে আরও সুন্দর করে তুলবে।
গেমিং আসক্তি সাধারণত ধীরে ধীরে আসে — একদিনে নয়। নিচের লক্ষণগুলো সম্পর্কে সচেতন থাকুন। এর মধ্যে কয়েকটিও যদি আপনার মধ্যে দেখা যায়, তাহলে সাহায্য নেওয়ার সময় হয়েছে।
নিচের প্রশ্নগুলো সৎভাবে নিজেকে করুন। যদি তিনটির বেশি প্রশ্নের উত্তর "হ্যাঁ" হয়, তাহলে সাহায্য নেওয়ার কথা ভাবুন।
আপনি কি মাঝে মাঝে পরিকল্পনার চেয়ে অনেক বেশি সময় বা টাকা গেমিংয়ে ব্যয় করেন?
হারানো টাকা পুষিয়ে নিতে গিয়ে কি আরও বেশি বাজি ধরেছেন কখনো?
গেমিংয়ের কারণে কি পরিবার, বন্ধু বা কাজের ক্ষতি হয়েছে?
গেমিং বন্ধ রাখার চেষ্টা করলে কি অস্থির বা বিরক্ত লাগে?
কখনো কি গেমিং খরচ মেটাতে ধার করেছেন বা কোনো কিছু বিক্রি করেছেন?
আপনার কাছের কেউ কি কখনো আপনার গেমিং নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন?
wibd-এর দায়িত্বশীল গেমিং টুলসগুলো সহজেই আপনার অ্যাকাউন্ট সেটিংস থেকে ব্যবহার করা যায়। নিচে ধাপে ধাপে দেখানো হলো:
আপনার wibd অ্যাকাউন্টে লগইন করুন এবং উপরের ডান দিকের প্রোফাইল আইকনে ক্লিক করুন।
অ্যাকাউন্ট সেটিংসের মধ্যে "দায়িত্বশীল গেমিং" বা "Responsible Gaming" অপশনটি খুঁজুন।
ডিপোজিট সীমা, সেশন সময়, বাজির সীমা বা বিরতির মেয়াদ — যা দরকার তা নির্ধারণ করুন।
সীমা নিশ্চিত করার পর এটি তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর হয়। হ্রাস করা যায় সঙ্গে সঙ্গে, কিন্তু বাড়াতে হলে অপেক্ষার সময় লাগে।
যেকোনো সমস্যায় বা টুল ব্যবহারে সমস্যা হলে support@wibd.click-এ ইমেইল করুন। আমরা ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সাড়া দেই।
wibd কঠোরভাবে ১৮ বছরের নিচের কাউকে প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করতে দেয় না। নিবন্ধনের সময় বাধ্যতামূলক বয়স যাচাইকরণ করা হয় এবং KYC প্রক্রিয়ায় যদি কেউ অপ্রাপ্তবয়স্ক প্রমাণিত হন, তার অ্যাকাউন্ট তাৎক্ষণিকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়।
আপনি যদি একজন অভিভাবক হন, তাহলে আপনার সন্তানের ডিভাইসে অভিভাবকীয় নিয়ন্ত্রণ সফটওয়্যার ব্যবহার করুন। বাংলাদেশে জনপ্রিয় বেশ কিছু অভিভাবকীয় নিয়ন্ত্রণ অ্যাপ বিনামূল্যে পাওয়া যায় যা অনলাইন গেমিং সাইটে প্রবেশ সীমিত রাখতে পারে।
দৈনিক/সাপ্তাহিক/মাসিক জমার ঊর্ধ্বসীমা নির্ধারণ করুন।
প্রতি সেশনে সর্বোচ্চ কতক্ষণ খেলবেন তা ঠিক করুন।
২৪ ঘণ্টা থেকে ৬ সপ্তাহ পর্যন্ত বিরতি নিন।
দীর্ঘমেয়াদে নিজেকে বাদ দিতে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন।
আপনার সম্পূর্ণ গেমিং ইতিহাস যেকোনো সময় দেখুন।
সাহায্যের জন্য:
support@wibd.click
আনন্দের জন্য খেলুন। wibd-এ আপনার নিরাপত্তা ও সুরক্ষা আমাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার।